বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
সাইফুল ইসলাম হীরা,সিনিয়র রিপোর্টার: ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ উত্তর মালিকিটা গ্রামের দেলোয়ার এর কন্যা দোলন পরকীয়ায় আসক্ত হয়ে নিজ স্বামীকে রেখে আপন চাচী আমেনার সহযোগিতায় প্রেমিক শাহাদাত কে নিয়ে পালিয়ে গেলেন অচিন দেশে। প্রেম কখনো হাসায় আবর কখনো কাঁদায়,প্রেম-এর আর এক নাম বেদনা।
ঘটনাটি ঘটেছে আঃপুর করের গাঁও গ্রামে, ঘটনা সূত্রে জানা যায় ৩ বছর পূর্বে আঃপুর করের গাঁওগ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে অমিত এর সাথে উত্তর মালিকিটা গ্রামের দেলোয়ার এর কন্যা দোলন এর বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকে পরকীয়ায় আসক্ত স্ত্রী নিয়ে অমিত ও দোলন এর দামপত্ব জীবন ভালো কাটছিলো না। অমিত তার স্ত্রীর প্রতি এক প্রকার তিক্ত-বিরক্ত হয়ে বিদেশে পাড়ি জমান। প্রবাসী অমিত তার স্ত্রীর মুখে হাসি ফোটানোর জন্য দিন-রাত পরিশ্রমের মধ্যে একটু সময় পেলেই স্ত্রীর মোবাইলে ভিডিও কল করতেন। এতে তার স্ত্রী দোলনের ছিল চরম আপত্তি ও বিরক্তি। পরকীয়ায় আসক্ত স্ত্রীর মন জোগাতে প্রবাসের সমস্ত কামাই ও রোজগারের টাকা স্ত্রীর কাছেই পাঠাতেন। এতেও তার মন রক্ষা করতে পারেনি অমিত।
ইদানিং পরকীয়ার ঘটনায় স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে চরম বিবাবদ হলে, বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা তার পরকীয়ার প্রেমিক কে নিয়ে অমিত ও দোলনের মধ্যে লেগে যায় চরম অশান্তি। অবশেষে দেলোয়ার এর কন্যা দোলন স্বামীর টাকা-পয়সা, স্বর্ণ-গহনা নিয়ে চাচীর সহযোগীতায় বাবার বাড়ী থেকে প্রেমিক শাহাদাতকে নিয়ে পালিয়ে যায়। ৩১ জানুয়ারী ২০২৫ ইং তারিখে, কেচু খুজতে গিয়ে অবশেষে সাপ বেরিয়ে আসে। অনুসন্ধানে আরো জানা যায় দোলনের চাচী আমেনার সাথে পাশের বাড়ীর দেবর পলাশের অনৈতিক সম্পর্ক ছিল, যার কারনে দোলনের চাচা আনোয়ার অকালে মৃত্যু বরণ করেন।দেবর পলাশ আমেনাকে বিয়ে করার প্রলোভন দেখায়। আমেনা তার স্বামী আনোয়ার কে অপকৌশলে বিষ পানে হত্যা করে। এলাকার মানুষ এখন জানতে পরেছে আমেনার স্বামী আনোয়ার এর মৃত্যু কোন স্বাভাবিক মৃত্যু নয়। দোলনের চাচী এলাকায় প্রকাশ করে যে, তার স্বামী আনোয়ার ব্রেন ষ্ট্রোকে মৃত্যু বরণ করেন। দুই বছর আগের ঘটনা হলেও এলাকার মানুষ জানতে পারে আনোয়ারের মৃত্যু রহস্য। দেলোয়ার কুয়েত থেকে দেশে ফেরে জানতে পারে তার ভাবী আমেনার সাথে পাশের বাড়ীর পলাশ এর অনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। দেলোযার ঘটনাটি জানার পর তাদের দীর্ঘ দিনের প্রেম লন্ড-ভন্ড হয়ে যায়। সেই সাথে কাল বৈশাখী ঝড়ে পরিণত হয় আমেনার আর পলাশের পরকীযা। তাই ক্ষীপ্ত হয়ে আমেনা বলে “তোর মেয়ে দোলন কিভাবে স্বামীর ঘর করে আমি দেখে নিব।” তার পর ষড়যন্ত্র করে দোলন ও তার স্বামীর সুখের সংসারকে ভেঙ্গে তার আসল উদ্দেশ্য হাসিল করে।
এলাকাবাসীর রবাত দিয়ে জানা যায় দোলন ও তার পরকীয়া প্রেমিক শাহাদাত কুষ্টিয়ায় দোলনের আত্মীয়র বাসায় আত্ম গোপনে আছে।