বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন
মোঃ কামাল পাঠান,বিশেষ সংবাদদাতা ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল পাকশিমুল ইউনিয়নের ভূইশ্বর পাতার হাটি গ্রামের আহম্মদ আলীর ছেলে আব্দুর রহমান এবং মন্নাফ মিয়া আপন দুই ভাইয়ের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধ চলে আসছিল দুই ভাইয়ের মধ্যে কয়েক দফা মারপিট হয়েছে এরই মধ্যে, পরিস্থিতি থমথমে হওয়ায় ১৬ মার্চ ২০২৫ইং রোজ রবিবার একই গ্রামের প্রতিবেশী মৃত মোগল আলীর ছেলে আমজাদ আলী (৭০) শান্তির লক্ষ্যে সমাধানের প্রস্তাব করে কিন্তু আব্দুর রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে ভাইয়ের সাথে ঝগড়া বাদ দিয়ে তার শশুর-বাড়ির লোকজন নিয়ে ঐ দিন রাতেই আমজাদ আলী উপর অতর্কিত হামলা চালায়।
.
স্থানীয় এবং পরিবার সূত্রে জানা যায় আপন দুই ভাই আব্দুর রহমান এবং মন্নাফ মিয়ার মধ্যে প্রায়ই মারামারি সংঘর্ষ হয়,আব্দুর রহমান তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন দাওয়াত দিয়ে এনে সংঘর্ষে জড়ায়,,, উক্ত ঘটনার বিষয় ঘটনার দিন নিহত আমজাদ আলী আব্দুর রহমানকে বিষয়টি সমাধান করতে অনুরোধ করে কিন্তু আব্দুর রহমান দুই ভাইয়ের মধ্যে নাক গলানোর কারণে আমজাদ আলীর ওপর চড়াও হয়ে তার শালা রুবেল মিয়া, ইসা মিয়া, হাদিস মিয়া, কালামিয়া,এবং আব্দুর রহমানের ছেলে মোজাম্মেল, সুমা আক্তার এবং স্ত্রী নুরজাহান বেগম কে নিয়ে আমজাদ আলীর বাড়ির সামনে দেশীয় অস্ত্র হাতে আমজাদ আলীর উপর হামলা করে তাকে গুরুত্ব আহত করে আমজাদ আলীর বাড়ির রাস্তার সামনে ফেলে যায়, তখন রাত প্রায় ১০ টা বাজে । এক পর্যায়ে তাকে পরিবার এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় অচেতন অবস্থায় সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় নিহত আমজাদ আলীর স্ত্রী, মেয়ে এবং পুত্রবধূ আহত হয়।নিহত আমজাদ আলীর তিন ছেলের দুজনেই মানসিক প্রতিবন্ধী।
আমজাদ আলীর ছেলে দুধ মিয়া অগ্নিশিখা প্রতিনিধিকে বলেন আমার বাবা কে যারা হত্যা করেছে আমি তাদের ফাঁসি চাই।
.
এ ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল হাসান জানান, আমজাদ আলী নামে ওই বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার কথা শুনেছি। এখনও কোন অভিযোগ পাইনি,, অভিযোগ পেলে অভিযোগ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।