শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন

এদের মূল পেশা ব্লাকমেইলিং, চাঁদাবাজী, পুলিশ র‍্যাবের নাম ব্যবহার করে অর্থ আত্মসাৎ, চোরা তেলের বানিজ্য

বিশেষ প্রতিবেদক: বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম একটি গুরুত্বপূর্ণ। এটা যেমন আশির্বাদ তেমনি অভিশাপ, কারন হিসেবে বিশেষ জরিপে দেখা গেছে।নামে বেনামে বহু ফেক আইডি ব্যবহার করে মানুষের সমাজের এমনকি রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।

এমন অনেক ধরনে ফেক আইডি ব্যবহার করে সমাজের বিভিন্নজনের বিরুদ্ধে হেয় প্রতিপন্ন করার মিথ্যা উদ্দেশ্য প্রনোদিত তথ্য দিয়ে নামধারী ফেইজবুক আইডি, অনিবন্ধিত ফেক পোর্টাল যার কোনো ধরনের সাইটই নাই এমন ফেক আইডি ব্যবহার করে উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে কিছু কুচক্রী বিভিন্ন মানুষকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন উদ্দেশ্য প্রনোদিত অপপ্রচার ও অসামজস্যপূর্ণ বিভ্রান্তি মূলক অপপ্রচার করা হচ্ছে, যা কারোরই বোধগম্য নয়, যার সম্পূর্ণ তথ্য ভুল, মনগড়া, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত। এদের মধ্যে মূল হোতা নারায়ণগঞ্জে অবস্থান নিয়ে বিশাল অংকের সুবিধা ভোগকারী। যাদেকে অনেকেই চিনে জানে। তেমন দুজন দূস্কৃতকারী যাদের পেশাই হচ্ছে ব্লাকমেইলিং সহ সাধারণ মানুষকে এবং অসাধু অবৈধ ব্যবসায়ীদের কাছে প্রচুর পরিমাণে টাকা হাতিয়ে নেয়া।

এমনই দুই ব্যক্তি একজন (১) আনোয়ার হোসেন (৫২) পিতা, অজ্ঞাত, মাতা-অজ্ঞাত, সাং- রাজশাহী,বর্তমান ঠিকানা-ইসদাইর,সুগন্ধা আবাসিক এলাকা(ইভনদের পাশের বাড়ী) ফতুল্লা, জেলা -নারায়ণগঞ্জ, অপরজন (২) মো. আবু হাসান, পিতা-মো. হযরত আলী, ভোটার আইডি নং-৮২৪২০২২৩৭৭, জামালপুর জেলা, বর্তমান ঠিকানা- শীতলক্ষ্যা হাউজিং,কিল্লারপুল,হাজীগঞ্জ,নারায়ণগঞ্জ, তারা দুজনে একাধিক ফেক আইডি ব্যবহার করে মানুষকে  ফাঁসিয়ে, ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ  এদের মূল পেশা,এছাড়া তাদের আর কেনো ধরনের কাজ নেই।

সম্প্রতি তারা ৫ই আগষ্টের পর ঘোল পাল্টে চাঁদাবাজীতে সুবিধা না করতে পেরে মানুষকে ভূয়া পোস্ট দিয়ে ইজ্জত হানি ও মামলা দিয়ে অর্থ আত্নসাৎ এর আশায় মত্ত। অথচ এরাই বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলি বর্ষনসহ সরাসরি জড়িত। এজন্য তারা ব্যবহার করে বহু ফেক আইডি, তাদের মধ্যে ট্রেস করে কয়েকটি আইডির নাম তুলে ধরা হলো।

ফেক আইডি গুলো হলো-

১)গ্রামের খবর ২) সমকালীন ক্রাইম ৩) Somoy khobor (সময় খবর) ৪) ইয়ান খান নিউজ ৫) Sahanaz Akter(৬) সময় খবর সহ আরো অনেক ফেক আইডি ..!

এসকল কর্মকান্ড, ব্লাকমেইলিং, আইনত দন্ডহীন মানহানীকর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন অপরাধের সামিল। এরা নিজেদের চরিতার্থ জাহিল করতে আর্থিক লাভের আশায় ব্লাকমেইলিং করে চাঁদা আদায়ের লক্ষ্যে এবং বিপুল পরিমাণে অর্থ আত্মসাতের আশায় এমন কর্মকান্ড চালাচ্ছে, যা অনেকের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি, এরা অনেকের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে অপপ্রচার অসঙ্গতিপূর্ণ অপপ্রচার করে বিপুল পরিমাণে চাঁদা চেয়ে ব্যক্তিগত জীবনকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে। মাদক কারবারিদের সেন্টারদাতা ও কুচক্রি, পেশাদার ব্লাকমেইলার, চাঁদাবাজ, তেল সিন্ডিকেটের মূলহোতা  একাধিকবার গণধোলাই খাওয়া চাঁদাবাজ, সাধারণ মানুষ এমনকি সাংবাদিক সমাজের অনেকে হেয় প্রতিপন্ন চরিতার্থ করার লক্ষ্যে নানান ভাবে সম্মাহানিকর কর্মযজ্ঞসহ চাঁদা আদায় লক্ষ্যে চেষ্টা চালাচ্ছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক, বিব্রতকর মানহানির সামিল, অসংগতিপূর্ন অপপ্রচার। এ ধরনের নামধারী ফেসবুক অক্ষর জ্ঞানহীন ফেক আইডি ইউজাররা দেশ দশের জন্য অত্যন্ত বিপদজনক, তারা সর্বত্রই অপপ্রচার মূলক কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকে। বিভিন্ন সময়ে নানাভাবে অর্থ আদায়ের লক্ষ্যে সমাজের বহু সুশীল সমাজ, নামীদামী ব্যক্তি, রাজনৈতিক ব্যাক্তি, এমনকি প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা রাষ্ট্রীয় নানান কর্মকান্ডে মিথ্যা অসঙ্গতিপূর্ণ অপপ্রচার করে থাকেন এমন বহু অভিযোগের তথ্য উপাত্ত অনেকেরই জানা। এর আগে বহুবার তাদের দুজনের বিরুদ্ধে বহু গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশ হয়েছে। অর্থ আত্মসাৎ সহ সরকারি জমি দখল করে অবৈধ অর্থ আত্মসাৎ এবং তেল সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ সহ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। কয়েকজন পেশাদার সাংবাদিক, সম্পাদক ও প্রকাশকের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে নানান মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর, বানোয়াট তথ্য ছড়িয়ে কয়েকটি  মিথ্যা বানোয়াট তথ্যের সংবাদ পরিবেশ সহ নানান অপকৌশল- অপপ্রচার চালাচ্ছে এই দুই ব্যক্তি।  এ ধরনের কুরুচিপূর্ণ আচরণ অনেক সাধারণ মানুষের ভাবমূর্তি নষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়ে, ভিন্ন ধারায় ভিন্ন ভাবে অপপ্রচার করেছেন, এছাড়াও অনেকের বিরুদ্ধে নানার ধরনের মিথ্যাচার অসত্য ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছেন।

এভাবে সাধারণ মানুষকে ভূল বুঝিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে মহান সাংবাদিক পেশাকে কলুশিত করছেন। তাদের এহেন মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন তথ্য ও মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা সহ আইনি সহায়তা সময়ের দাবি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে,  এ কুচক্রী দুই চাঁদাবাজ ব্লাকমেইলার (বিষয়টি অতীত জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ)
এসকল অযাচিত ফেক আইডি গুলো ব্যবহার করে সমাজের বিভিন্ন নিরিহ লোকজনের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট মনগড়া ভিত্তিহীন পোস্ট দিয়ে নানানভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎসহ হ্যারেজমেন্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, উক্ত ফেক আইডি ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা অতীব জরুরী, এ আইডি গুলো ব্যবহারের মাধ্যমে ব্লাকমেইল এবং জেলাকে অস্থিতিশীল করাসহ জনমনে ভীতির সঞ্চালনের অপচেষ্টা চালাচ্ছে চাঁদাবাজি পরিচালন। করতে। এরা অজ্ঞাত স্থানে থেকে এধরনের কর্মকান্ড চালাচ্ছে। একজন হচ্ছে আনোয়ার সুকৌশলী কয়েকবার গণধোলাই খাওয়া সূদুর রাজশাহী থেকে আগত, যার কোনো হদিস কেউই জানে না, তবে ইসদাইর সুগন্ধা আবাসিক এলাকায় কিশোর গ্যাং সন্ত্রাসী ইভন বাহিনী পাশের বাড়ীতে ব্যাচেলর থেকে মাদক,ব্লকমেইলিং এবং মানুষের কাছে চাঁদা আদায় সহ জেলার সকল কর্মকান্ডের মূল হোতা, পর্দার আড়ালে থেকে এসব কর্মকান্ড চালাচ্ছেন। তার ছবি তোলা পাওয়া দুঃসাধ্য, অত্যন্ত চালাক ও ধুরন্দর প্রকৃতি আনোয়ার। কোর্ট এলাকায় প্রায়শই তাকে দেখা যায়।  আপরজন হচ্ছে আবু হাসান ওরফে মাসুদ রানা জামালপুর থেকে আগত, পুলিশ কনস্টেবল থেকে বহিষ্কৃত আনোয়ারের শিস্য, ওস্তাদ শিস্য মিলে এসকল অপকর্মে লিপ্ত, অনেক সাংবাদিককে এদের কাজে ব্যবহার করে,আর তাদের কথা না শুনলে তাদেরকে বিভিন্নভাবে মান ক্ষুন্নসহ হেরেজমেন্ট করে,তাদের গতিবিধি কেউ ধরতে পারে না..! এমনকি পুলিশও না..! নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এমন বহু সাংবাদিক তাদের হেনস্তা শিকার হয়েছে।  খানপুর নগরীর হাজীগঞ্জের  শীতলক্ষ্যা হাউজিংয়ে ভাড়া থাকেন হাসান,তবে এক স্থানে বেশি দিন এদেরকে দেখা যায় না, থাকেন না..! বেশ কিছুদিন চাষাড়া ও কোর্টের উল্টোপাশে প্রায়শই দেখা যায়। একজন বাজাজ ডিসকাভার হোন্ডা(আনোয়ার) অপরজন আবু হাসান ওরফে মাসুদ রানা ইয়ামাহা FZs দিয়ে চলাফেরা করেন। মাসে মাসে জায়গা পরিবর্তন করেন। তবে এদের খবর কেউ ঠিকঠাক জানেন না, এদের বিরুদ্ধে শীর্ষস্থানীয় অনেক পত্রিকায় প্রায়শই নিউজ হয়, বহু মামলার আসামী, গুরু শিস্য অত্যন্ত চতুর শৃগাল প্রকৃতির, প্রশাসনিক কোনো কিছুর আভাস পেলেই তারা সুকৌশলে নিজ এলাকায় আত্নগোপনে চলে যায়, তাও আবার বিমানে যাতায়াত করেন এই আনোয়ার, সেখানে(রাজশাহী) একাধিক আলিশান বহুতল বাড়ির মালিক, নিজে থাকেন ডুপ্লেক্স বাড়ীতে। বন্দর, মদনপুর, কেওঢালা এবং রুপগঞ্জের তিনশ ফিটে সহ বহু স্থানে টং বসিয়ে তাদের রয়েছে চোরা তেলের বানিজ্য, টাকা বিনিময়ে স্বার্থে ব্যাঘাৎ ঘটালেই বহু মানুষের নাম ডুকিয়ে দেয় মামলায়, এমনকি বৈষম্য এবং হেফাজতের মামলায় অনেককে ফাঁসিয়েছেন টাকার বিনিময়ে বাদী ও পুলিশের সাথে আতাত করে এমন তথ্যও রয়েছে অনেকের কাছে!  বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরী। উল্লেখিত বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন গর্হিত অপরাধ মূলক কর্মকন্ডের দ্রততম সময়ের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাছে আশু প্রতিকার এবং দ্রুততম সময়ে গ্রেপ্তার করে বিচার ও প্রতিকার আশা করছে ভুক্তভোগী অনেকে।

আরও উল্লেখ্য যে  এদের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ ভিন্ন থানায় ও অনেক জেলায় একাধিক জিডি, অভিযোগ এবং মামলা রয়েছে, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে সরাসরি সম্পৃক্ত গুলিবর্ষণকারী ও ইন্দনদাতা, এখন ঘোল পাল্টে নব্য বিএনপি সেজেছে। বাস্তবে এদের কোন ধর্ম বর্ণ রাজনৈতিক দল কিছুই নেই, লক্ষ লক্ষ টাকা মানতি উঠায় নিরীহ মানুষকে ব্লাকমেইলিং করে, পুলিশের, ডিবি এবং র‍্যাবের ভূয়া নাম ভাঙিয়ে।  সাম্প্রতিক সময়ে এ সংক্রান্ত বিষয়ে আরও অভিযোগ জিডি রজু রয়েছে জিডি নং-১০৩৪(২০-৩-২৫ইং)রূপগঞ্জ থানা,এছাড়াও সিদ্ধিরগঞ্জ,বন্দর,সদর ফতুল্লা থানায় বহু রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সুকৌশলে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তদন্তপূর্বক দ্রুততম সময়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি মাত্র।

খবরটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024 thedailyagnishikha.com
Design & Developed BY Hostitbd.Com