সোমবার, ৩১ মার্চ ২০২৫, ০৬:০৬ অপরাহ্ন
আমিনুর রহমান,নবাবগঞ্জ (ঢাকা)প্রতিনিধি: মসজিদের ইমাম রাখা না রাখা বিষয় নিয়ে মসজিদ কমিটির দুই পক্ষের দন্দে দুই ভাই মিলে আব্দুল মান্নান (৫৮) নামের এক ব্যক্তিকে মারাত্মকভাবে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। আহত আব্দুল মান্নান সাহেবগঞ্জ গ্রামের মৃত বিনোদ হাজীর ছেলে এবং হামলাকারী রমজান আলী (৬০)ও আবদুল রউফ (৪৫) -এর আপন মেঝো ভাই।
২৬ মার্চ বুধবার রাতে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার নয়নশ্রী ইউনিয়নের উত্তর বাহ্রা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্র ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায় -উত্তর বার্হ্রা সাহেবগঞ্জ জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা রেজওয়ান দীর্ঘদিন যাবৎ অত্র মসজিদে ইমামতি করে আসছেন। মসজিদ কমিটি এবং সমাজের ৯০ শতাংশ সদস্য তাকেই ইমাম হিসেবে রাখতে আগ্রহী হলেও রমজান আলী, আবদুল রউফ সহ কয়েকজন ব্যক্তি ইমাম পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নেন।
ভুক্তভোগী আব্দুল মান্নান তার ভাইদের অন্যায়ের পক্ষে না থেকে মসজিদ কমিটি এবং সমাজের ৯০ শতাংশ লোকের পক্ষে অবস্থান নেন ।এতে তার দুই ভাই সহ লিটন ও আনোয়ার হোসেন আঙুর নামে দুই ব্যক্তি ক্ষিপ্ত হয়ে তারাবি নামাজের শেষে বাড়ি ফেরার পথে আবদুল মান্নানের উপর হামলা চালায়। এ সময় টর্চ লাইট, লাঠিসোটা এবং ইট দিয়ে হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে আব্দুল মান্নানের উপর। তার ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি করেন। আবদুল মান্নানের অবস্থা এখনো আশংকাজনক।
এ বিষয়ে মসজিদ কমিটির সভাপতি সাহেব আলী জানান- অন্যায় ভাবে আবদুল মান্নানকে আঘাত করা হয়েছে। মসজিদ কমিটির অন্যান্য সদস্যদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এর একটা ন্যায় বিচার করা হবে।
মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি আবদুল মান্নান জানান- সমাজের বেশির ভাগ লোকই এই ইমামই রাখার পক্ষে। ক্ষমতা দেখিয়ে কয়েকজন মিলে ইমাম পরিবর্তন করতে চায়। মান্নান ইমাম পরিবর্তনের পক্ষে না থেকে কমিটি এবং ৯০ শতাংশ মানুষ যা চায় তার পক্ষে থাকে এবং ভাইদের মতের বিরুদ্ধে থাকায় তার ভাইয়েরাই তাকে মেরে রক্তাক্ত করেছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আব্দুল মান্নান তার দুই ভাই রমজান আলী, আবদুল রউফ সহ লাল মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন আঙুর ও সাত্তারের ছেলে লিটন নামে নবাবগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।